নিউ ইয়র্কে সন্তানদের স্কুল শিক্ষা ক্ষেত্রে একটি বড় গৌরবের জায়গা হলো নিউ ইয়র্ক সিটির স্পেশালাইজড হাইস্কুলে ভর্তির সুযোগ পাওয়া। এইসব বিশেষায়িত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমুহের কয়েকটি আমেরিকার জাতীয় ক্ষেত্রে অত্যন্ত মানসম্পন্ন স্কুল। প্রতি বছর যারা অষ্টম গ্রেডে পড়বে সিটির পাবলিক স্কুলসমুহে, তারা স্পেশালাইজড হাইস্কুলে ভর্তির জন্য পরীক্ষা দেয়। যারা নির্দিষ্ট নম্বর স্কোর করে, তারা ভর্তির সুযোগ পায়। ২০২৪ সালের নভেম্বর/ডিসেম্বরে যারা এই ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল এমন ২৫,০০০ শিক্ষার্থীর মধ্য থেকে প্রায় ৩,০০০ ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়। গত ৬ মার্চ বৃহস্পতিবার এই ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এবারও বিগত বছরগুলোর মত বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত শিক্ষার্থী নিউ ইয়র্ক সিটির স্পেশালাইজড হাইস্কুলে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে।
নিউ ইয়র্ক সিটিতে বাংলাদেশি পরিচালিত সবচেয়ে পুরাতন ও সর্ববৃহৎ টিউটোরিং সেন্টার প্রয়াত শিক্ষক ড. মনসুর খান ও মিসেস নাঈমা খান প্রতিষ্ঠিত এবং বর্তমানে তাঁদের সুযোগ্য পুত্র ডা. ইভান খান পপরিচিলিত খান’স টিউটোরিয়াল স্পেশালাইজড হাইস্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রশংসিত হয়েছে। এই টিউটোরিয়ালের প্রশিক্ষণ নিয়েই এ পর্যন্ত ১৩৪ জন ছাত্র-ছাত্রী নিউ ইয়র্ক সিটির স্পেশালাইজড হাইস্কুলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। আরো কিছু ফলাফল প্রাপ্তির অপেক্ষায় রয়েছেন তারা।
গত ১৩ মার্চ বৃহস্পতিবার প্রদত্ত রেজাল্ট অনুসারে খান’স টিউটোরিয়ালে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে ১৩৪ জন শিক্ষার্থী ৮টি স্পেশালাইজড হাইস্কুলে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে।
স্কুল হিসাবে ভাগ করলে দাঁড়াচ্ছে, ৩৪ জন স্টাইভস্ট্যান্টে, ২৪ জন ব্রংক্স সাইন্সে, ৩৮ জন ব্রুকলীন টেকে, এছাড়া ব্রুকলীন ল্যাটিন, হাইস্কুল অব ম্যাথে, হাইস্কুল অব আমেরিকান স্টাডিজ, কুইন্স হাইস্কুল ফর সাইন্স, স্ট্যাটেন আইল্যান্ড টেক হাইস্কুলে মোট ৩৮ জন ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। এর বাইরেও নিউ ইয়র্কে এষ্টোরিয়া ও জ্যামাইকা অবস্থিত আরকিউএম টিউটোরিয়াল ও ব্রঙ্কস ও জ্যাকসন হাইটসের মামুন’স টিউটোরিয়ালসহ আরো কয়েকটি টিউটোরিয়াল সেন্টার আছে। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষন নিয়েও এ বছর বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের অনেকে নিউ ইয়র্ক সিটির স্পেশালাইজড হাইস্কুলে ভর্তির জন্য মনোনীত হয়েছে।